ভাত-ভর্তায় বাঙালিয়ানা | জেনে নিন ৮টি ভর্তার রেসিপি---

উপকরণঃ

১. কচুর লতি - ২ কাপ পরিষ্কার করার পর।

২. লাল আলু - ২/৩ টি মিডিয়াম লাল চুচা সহ।

৩. শুটকি চিংড়ি - ১৫ টাকার

৪. রসুনের কুয়া - ১০ টি মিডিয়াম কুয়া।

৫. পেয়াজ একটি(চাইলে স্কিপ করতে পারেন)

৬. কাচামরিচ - ১০ টি

৭. ধনিয়াপাতা - কুচি

৮. লেবুর রস

৯. ২ টি তেজপাতা

প্রস্তুত প্রনালীঃ

কচুর লতি,আলু, লবন ও তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধ করে নিন।

শুটকি চিংড়ি পানি দিয়ে ১০-২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে তেলে ভেজে নিন।

এবার তেলে মরিচ,পেয়াজ রসুন ভেজে নিন। তারপর তেলে একটু হলুদ,জিরা গুড়া দিয়ে তাতে কচুর লতি চেপে চেপে ভিজে নেন।

এবার সকল উপাদান ম্যাশ করে নিন,তারপর তেজপাতা ফেলে দিয়ে সকল উপকরন মিশিয়ে নিন। তারপর উপর দিয়ে লেবুর রস ও ধনুয়াপাতা সাথে সরিষার তেল মাখিয়ে পরিবেশন করুন।
লবন এডজাস্ট করে নিবেন।
-----------//-----------//------------------

উপকরণঃ

কচু শাক ৩০০ গ্রাম।

রসুন বাটা ১/২ চামচ।

জিরা বাটা ১ চামচ।

হলুদের গুঁড়া ১/২ চামচ।

পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ।

রসুন ৮ থেকে ১০ কোয়া।

লবণ ১ চামচ।

সয়াবিন তেল ৩ চামচ।

কাচা মরিচ।

লেবু।

প্রস্তুত প্রনালীঃ

প্রথমে আমি কচুশাক গুলো খুব সুন্দর করে ছোট ছোট করে কেটে নিয়েছি। এরপর আমি পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়েছি।

প্রথমে একটি পরিষ্কার কড়াই চুলার উপর দিয়েছি। এরপর কিছুক্ষণ পর কড়াইয়ের মধ্যে পরিমাণ অনুযায়ী সয়াবিন তেল দিয়েছি। আমি যেহেতু কচুশাকের মজাদার ভর্তা রেসিপি তৈরি করব তাই আমি একটু বেশি পরিমাণে তেল দিয়েছি।

পরিমাণ অনুযায়ী পেঁয়াজকুচি গরম তেলের মধ্যে দিয়েছি। এরপর কিছুক্ষন পর তেলের সাথে পেঁয়াজকুচি গুলো ভাজাভাজা করেছি.

পরিমাণ অনুযায়ী রসুনের কোয়া ভাজা পিয়াজের মতে দিয়েছি। এরপর আমি পরিমাণ অনুযায়ী রসুন বাটা ও জিরা বাটা দিয়েছি। এবার সব গুলো একত্রে মিশিয়েছি।

পরিমাণ অনুযায়ী কাঁচামরিচ দিয়েছি। আমি কিছু পরিমাণে কাঁচা মরিচ কেটে দিয়েছি আবার কিছু পরিমাণে কাঁচামরিচ গোটা দিয়েছি।

লবণ দিয়েছি। এরপর হলুদের গুঁড়া দিয়েছি। এবার সবগুলো মিশিয়েছি। সবগুলো মসলা তেলের সাথে ভালোভাবে ভুনা করার জন্য কিছুক্ষণ সময় নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি

এবার মসলা ভুনা হওয়ার পর কেটে ধুয়ে রাখা কচু শাক গুলো ভুনা মসলা মধ্যে দিয়েছি। এবার কচুশাক গুলো খুব ভালোভাবে ও সাবধানতার সাথে মিশানোর চেষ্টা করছি।

এবার আমি কচুশাক গুলো সিদ্ধ করার জন্য একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি। কিছুক্ষণ পরপর ঢাকনা খুলে আবার নাড়াচাড়া করেছি।

এভাবে আমি কিছুক্ষণ পরপর ঢাকনা খুলে কচুশাক গুলো খুব ভালোভাবে মসলার সাথে মেশানোর চেষ্টা করেছি। এরপর আমি আরো কিছুক্ষণ সময় নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি।

লেবুর রস দিয়েছি। আমার রেসিপি তৈরির শেষের দিকে এসে আমি লেবুর রস ব্যবহার করেছি। কারণ কচুশাকের সাথে লেবুর রস খেতে খুবই ভালো লাগে।

এবার আমার তৈরি করা কচুশাকের ভর্তা রেসিপি সুস্বাদু করার জন্য আমি এবার একটি কাঠের বাটনা দিয়ে ডলে ডলে কচুশাকের ভর্তা তৈরি করেছি। এভাবে আমি মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।
-------------//------------//---------------

উপকরণঃ

১. ৪ টি মুলার কচি কচি পাতা সাথে একটি মুলা

২. টমেটো - ১ টি

৩. ধনিয়াপাতা - ১ মুঠো

৪. কাচামরিচ - ১০ টি

৫. পেয়াজ কুচি - ২ টি

৬. রসুনের কুয়া - ৮/৯ টি

৭. সরিষার তেল
৮

. লবন

প্রস্তুত প্রনালীঃ

মুলার শাক, মুলা, টমেটো ও ধনিয়াপাতা, কাচামরিচ একসাথে সিদ্ধ করে নিন। এবার প্যানে তেল দিয়ে একসাথে উপকরণ গুলো ভেজে নিন। পেয়াজ,রসুনের কুয়া ভেজে নিন।

এবার বেটে নিন। তসরপর সব একসাথে বেটে নিন।
এবার তেল দিয়ে মাখিয়ে নিন।
-----------------//------------//------------

উপকরণঃ

১. ডাল - ১০০ গ্রাম, সিদ্ধ করে নিন।

২. পালং শাক - ১ মুঠো

৩. কাচামরিচ - ৫/৬ টি

৪. শুকনা মরিচ - ৪ টি

৫. পেয়াজ কুচি - ১ টি

৬. রসুনের কুয়া - ৫/৬ টি

৭. ধনিয়াপাতা কুচি

৮. সরিষার তেল

৯. লবন

প্রস্তুত প্রনালীঃ

ডাল ও শাক ও কচামরিচ এক সাথে লবন,হলুদ একসাথে মিশিয়ে সিদ্ধ করে নিন।

এবার পেয়াজ,রসুন, শুকনা মরিচ একসাথে ভেজে নিন।

এবার সব কিছু একসাথে মাখিয়ে নিন।।
------------//-----------//----------------

উপকরণ

১. পটল সেদ্ধ খোসা ছাড়া- ১.৫ কাপ

২. চিংড়ি মাছ সেদ্ধ- ৫-৬টি

৩. সরষে বাটা- ১ চা চামচ

৪. রসুন- ১ কোয়া

৫. শুকনা মরিচ ভাজা- ৩-৪ টি

৬. পেঁয়াজ কুঁচি- ১.৫ টেবিল চামচ

৭. লবণ- পরিমাণমতো

৮. ধনেপাতা- স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রণালী

১) প্রথমে একটি পাত্রে সেদ্ধ পটল নিয়ে তাতে সরষে বাটা ও চিংড়ি মাছ সেদ্ধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিবো।

২) তারপর একটি প্যানে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ ও রসুন হালকা করে ভেজে নিবো।

৩) ভাজা পেঁয়াজ ও রসুন পটলের মধ্যে দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে।

৪) মেশানো হলে শুকনা মরিচ, লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার পটল ভর্তা।
গরম ধোয়া উঠা ভাতের সাথে খেতে খুব ভালো লাগে এই ভর্তাটি। দেরি না করে আজই তৈরি করুন এবং উপভোগ করুন মজাদার পটল ভর্তা।
--------------//--------------//-----------

উপকরণঃ

১. লাউয়ের খোসা- ১ কাপ

২. চিংড়ি কুচি- ২ টেবিল চামচ(স্কিপ করতে পারেন বা অন্য মাছ দিতে পারেন)

৩. শুকনা মরিচ টালা- ৪/৫ টি

৪. হলুদ গুঁড়া- সামান্য

৫. পেঁয়াজ কুচি- ২ টেবিল চামচ

৬. রসুন কুচি- ১ টেবিল চামচ

৭. সরিষার তেল- ১ টেবিল চামচ

৮. লবণ- পরিমাণমতো

৯. ধনেপাতা কুচি- ১ টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেনঃ

প্রথমে লাউয়ের খোসা ধুয়ে সেদ্ধ করে নিন। এরপর ভালোভাবে বেটে নিন। তবে ব্লেন্ডও করতে পারেন। এবার তেল গরম করে তাতে রসুন কুচি দিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এরপর তাতে চিংড়ি দিয়ে ভাজুন। এবার একে একে সব উপকরণ দিয়ে মিশিয়ে নিন। নামানোর আগে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু লাউয়ের খোসা ভর্তা।
--------------//------------//--------------

উপকরণঃ

১. আলু চারটে

২. ডিম - ২ টি

৩. কাচামরিচ - ৪ টি, শুকনামরিচ - ২ টি

৪. রসুন কুচি - ৩ টি, পেয়াজ কুচি - ১ টি

৫. ধনিয়াপাতা কুচি

৬. সরিষার তেল।

প্রস্তুত প্রনালীাঃ

আলু ডিম সিদ্ধ করে নিন। এবার সরিষার তেলে আলু ভেজে নিন।তারপর ডিম আলু ম্যাশ করে নিন।

এবার সকল উপাদান মিশিয়ে নিয়ে মাখিয়ে লবন এডজাস্ট করে খেয়ে ফেলুন।
------------//----------//-----------------

উপকরনঃ

১. কচুর ডাটা - ৩ কাপ (নখের সমান কুচি করা)

২. আলু - ১ টি মিডিয়াম

৩. কাচা মরিচ - ৮ টি

৪. শুকনা মরিচ - ৭ টি

৫. পেয়াজ কুচি - ১ টি

৬. রসুনের কুয়া - ৮ টি

৭. জলপাই,তেতুল বা লেবুর রস

৮. ধনিয়াপাতা কুচি

প্রস্তুত প্রনালীঃ

কচুর ডাটা, আলু, হলুদ, লবন,কাচা মরিচ,(জলপাই দিলে) জলপাই,দিয়ে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন।

এবার প্যানে শুকনা সরিষার তেল বা সয়াবিন তেল দিয়ে শুকনা মরিচ, রসুনের কুয়া,পেয়াজ ভেজে উঠিয়ে রাখুন। এবার কচু গুলো তেলের প্যানে দিয়ে চেপে চেপে ভিতরের পানি বের করে নিন,আর ম্যাশ করে নিন।

ভালো ম্যাশ না হলে পাটায়,ব্লেন্ডার বা ছেচনিতে ছেচে নিন। এবার সকল উপাদান মাখিয়ে সরিষার তেল দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে।
#ইউনিক ও নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন।

Comments
Post a Comment